Neem Oil – নিম তেলের উপকারিতা
নিম তেল উৎকৃষ্টমানের অর্গ্যানিক কীটনাশক ।নিম গাছের বীজের তেল কীটনাশক হিসেবে দারুণ কার্যকরী। নিম তেল একাধারে একটি কার্যকরী জৈব কীটনাশক, মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক। ডিম, লাভা ও বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়ার সব পর্যায়েই পোকামাকড় দমন করতে সক্ষম এই তেল। যেসব পোকা গাছের পাতা ও ডালপালা খেয়ে জীবন ধারণ করে তাদের মারতে ব্যবহার করা হয় নিম তেল। নিম তেল ব্যহারের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। ফলবান গাছে নিশ্চিন্তে ব্যাবহার করা যায়। ব্যবহারের কিছুক্ষণ পরও গাছ থেকে ফল আহরণ করে খাওয়া যায়। নিম তেল ছত্রাক, থ্রিপ্স, জাবপোকা, ম্যাপ পোকা, মিলিবাগের আক্রমণ সহ অসংখ্য রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু পোষাপ্রাণী, মাছ বা অন্য কোন প্রাণীর কোনরকম ক্ষতি করে না এই তেল।
নিম তেলের উপকারিতা….
- নিম তেল জৈব কৃষিতে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রনের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- নিম তেল ব্যবহারে পরিবেশের কোন ধরণের ক্ষতিহয় না । যেকোন ধরনের ফুল, ফল এবং সবজী সংগ্রহের দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
- নিম তেল ব্যবহার করলে এফিডস,স্পাইডার মাইট, স্কেল, বোয়াইট ফ্লাইস এবং বিটল পোকা নিয়ন্ত্রন করে।
- বিভিন্ন ক্ষতিকারক পোকামাকড়, ডিম, লার্ভা হত্যা করে থাকে নিম তেল। বিভিন্ন উপকারি মৌমাছি, প্রজাপতি, বিভিন্ন পাখি ও অন্যান্য উপকারি পকামাকড়ের কোন ক্ষতি করে না।
- নিম তেল জৈব কীটনাশক,মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক হিসাবে কাজ করে।
- নিম তেল গাছে ব্যাবহারের নিয়ম:
- এক লিটার নিম স্প্রে তৈরি করতে ১ লিটার পানিতে ৫ মিলি লিকুইড সাবান অথবা ডিস ওয়াশের সাথে ২ মিলি নিম তেল মিশাতে হবে। তারপর মিশ্রনটি আক্রান্ত গাছগুলোতে বিকেলে স্প্রে করুন ৭ দিন পর পর।
সতর্কতা: প্রথমে যে কোন একটি গাছে স্প্রে করে ২/৩ দিন অপেক্ষা করে দেখুন গাছের কোন সমস্যা হচ্ছে কি না। সমস্যা না হলে সব গাছে স্প্রে করুন।